গনেশ চতুর্থীতে পুজোর ঢাকে পড়ল কাঠি; ধুমধামের সাথে হল খুঁটিপুজো

গনেশ চতুর্থীতে পুজোর ঢাকে পড়ল কাঠি; ধুমধামের সাথে হল খুঁটিপুজো

সমাপ্তি রায় -:

আর কয়েকদিন পরেই বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গাপুজো।আর এই পুজোয় তিলোত্তমা সেজে ওঠে এক অনন্য সাজে।সারা শহর জুড়ে থাকে এক অন্য অনুভূতি যার উপর ভর করে সারা বছর কাটিয়ে দেয় এই শহরবাসী।কলকাতার এই আনন্দ উৎসবের আয়োজকদের মধ্যে একটি নক্ষত্র ‘ভবানীপুর ৭৫পল্লী’।প্রত্যেক বছর নতুন নতুন ভাবনায় তাঁরা মাতৃ আরাধনা করেন।

দক্ষিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী এলাকা ভবানীপুরের এই পুজোর দিকে চোখ থাকে আপামর শহরবাসীর।’ নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর’; ‘মায়ের আঁচল’; ‘ও আমার দেশের মাটি’; ‘জুতা আবিস্কার’; ‘আরশিনগর’; ‘আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে-লন্ডন’; ‘খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা’; ‘উল্টে পাতা শোনাই কথা’ ও ‘নাগরদোলায় সবার পুজো’ এই সব অসাধারন থিমে প্রত্যেকবার সেজে ওঠে তাদের মন্ডপ।

এই বছর গনেশ পুজোর পুণ্য তিথিতে হয়ে গেল এই বিখ্যাত পুজোর খুঁটিপুজো।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম ববি, প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, মেয়র পারিষদ দেবাশীষ কুমার, সমাজসেবী ও পুজোর সভাপতি কার্তিক ব্যানার্জ্জী।এ ছাড়াও ছিলেন এম আর বাঙুর হাসপাতালের এমওআইসি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের প্রধান ডঃ এস পাল ও পুজো কমিটির সাধারন সম্পাদক সুবীর দাস সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

শুধুমাত্র খুঁটিপুজো নয়, এই বছর কোরোনা মহামারীর এই সময়ে যে সকল চিকিৎসক ও পুলিশকর্মী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে লড়াই করছেন তাঁদের কয়েকজনকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।সমাজকে বার্তা দেওয়া হয় কোরোনা যোদ্ধাদের সাহায্য করতে, তাদের পাশে দাঁড়াতে, তাদের লড়াই করতে উৎসাহ প্রদান করতে।

কমিটির তরফে যদিও পুজোর এই বছরের থিম নিয়ে বিশেষ কিছু ব্যক্ত করা হয়নি তবে মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়ানোর মতো বিশেষ বার্তাই দেওয়া হবে বলে জানালেন উদ্যোক্তারা।কোরোনার আবহে সবরকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই পুজো হবে বলে জানালেন তাঁরা।একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করেও তাঁদের এই পুজো এবারে দর্শকদের একদম বৈঠকখানায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয় উদ্যোক্তাদের তরফে।

News Desk

News Desk

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *