প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রথম ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন চালিত দোতলা মালগাড়িরও যাত্রার সূচনা করবেন

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৭ই জানুয়ারি বেলা ১১টার সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে পশ্চিমাঞ্চলীয় নির্ধারিত পণ্য করিডরের (ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর-ডাব্লুডিএফসি) ৩০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ নিউ রেওয়ারি-নিউ মাদার শাখা উৎসর্গ করবেন। প্রধানমন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে নিউ আটেলি-নিউ কিসানগড়ের মধ্যে ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন চালিত দোতলা মালগাড়িটির যাত্রার সূচনা করবেন। এই অনুষ্ঠানে রাজস্থান ও হরিয়ানার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল উপস্থিত থাকবেন।

ডাব্লুডিএফসি-র নিউ রেওয়ারি-নিউ মাদার শাখা

ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডরের নিউ রেওয়ারি-নিউ মাদার শাখাটির ৭৯ কিলোমিটার হরিয়ানার মহেন্দ্রগড় ও রেওয়ারি জেলার মধ্যে পরছে। বাকি ২২৭ কিলোমিটার রাজস্থানের জয়পুর, আজমেঢ়, শিকার, নাগৌর ও আলোয়ার জেলার মধ্যে পড়ছে। এই শাখায় ৯টি নতুন ডিএফসি স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে নিউ ডাবলা, নিউ ভাগেগা, নিউ শ্রীমাধোপুর, নিউ পাচার মালিকপুর, নিউ সাকুন ও নিউ কিসানগড় স্টেশনগুলি ক্রসিং স্টেশন। বাকি ৩টি স্টেশন- নিউ রেওয়ারি, নিউ অটেলি এবং নিউ ফুলেরা জংশন স্টেশন।

এই শাখা রেল চলাচলের জন্য যখন খুলে দেওয়া হবে, সেখানে রাজস্থান ও হরিয়ানার রেওয়ারি-মানেসার, নারনৌল, ফুলেরা ও কিসানগড়ের বিভিন্ন শিল্প উপকৃত হবে। এরফলে কাঠুয়াতে কংকোরের কন্টেনার ডিপোর আরও ভালো ব্যবহার হবে। এই শাখা গুজরাটের কান্দলা, পিপাভব, মুন্দ্রা ও দহেজের সঙ্গে আরও ভালো যোগাযোগ গড়ে তুলবে। এই উদ্বোধনের ফলে ডাব্লুডিএফসি ও ইডিএফসি-র মধ্যে বাধাহীন যোগাযোগ গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী ২৯শে ডিসেম্বর ইডিএফসির ৩৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ নিউ ভাউপুর- নিউ খুরজা শাখা জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছিলেন।

দোতলা মালগাড়ি চলাচল

দোতলা মালগাড়ি ২৫ টন ক্ষমতা বহন করতে পারে এরকম অ্যাক্সেল লোডের ওপর তৈরি। আরডিএসও-র ওয়াগন শাখা ডিএফসিসিআইএল-এর জন্য এগুলি তৈরি করেছে। এর বিএলসিএস-এ এবং বিএলসিএস-বি ওয়াগনের নকশার কাজ শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করে সুসম ওজন যাতে মালগাড়ির কামরায় সর্বত্র বিন্যস্ত থাকে সেই দিকটি দেখা হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় রেল যে মালগাড়িগুলি ব্যবহার করে ডাব্লুডিএফসি-তে তার থেকে ৪ গুণ ক্ষমতা সম্পন্ন দোতলা মালগাড়ির জন্য এই ওয়াগনগুলি ব্যবহার করা হবে।

ডিএফসিসিআইএল ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে মালগাড়ি চালাবে। বর্তমানে ভারতীয় রেল ঘন্টায় ৭৫ কিলোমিটার গতিবেগে ট্রেন চালায় আর মালগাড়ির ক্ষেত্রে এই গতিবেগ ঘন্টায় ২৬ কিলোমিটার। ডেডিকেটেড ফ্রেইড করিডরে এই গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ কিলোমিটার।

News Desk

News Desk

প্রাসঙ্গিক বিষয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *