বাড়িতেই ভোট

বাড়িতেই হবে ভোটের বুথ। ৮০ বছর ও তার উর্দ্ধে ব্যক্তি, বিশেষভাবে সক্ষম, করোনা আক্রান্ত এবং বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে যে ভোটাররা নির্বাচন কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারবেন না তাঁরা যাতে ‘পোস্টাল ব্যালটের’ মাধ্যমে বাড়িতে বসেই ভোট দিতে পারেন সেজন্য তাঁদের কাছে পৌঁছে যাবে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে নোটিফিকেশন জারি হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। যেদিন মূল নির্বাচন হবে তার আগেই পোস্টাল ব্যালটের এই নির্বাচন শেষ করবে কমিশন। কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, এমনিতেই পুলিশ বা অন্যান্য ভোটের কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মীরা পোস্টাল ব্যালটেই ভোট দেন। বিশেষ পরিস্থিতির জন্য এই ব্যক্তিরা যে ব্যালটে ভোট দেবেন তাকেও পোস্টাল ব্যালটই বলে। কতজন ব্যক্তি এই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন সেটা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলিকেও জানিয়ে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে তাঁর বাড়িতে যাওয়া হবে। এক্ষেত্রে দু’‌জন পোলিং অফিসার, দু’‌জন নিরাপত্তারক্ষী এবং একজন ভিডিওগ্রাফার যাবেন। কমিশনের তরফে নিয়ে যাওয়া হবে একটি ‘ভোটগ্রহণ কেন্দ্র’। যেটা ওই ভোটদাতার ঘরে বা বারান্দায় অর্থাৎ যেখানে গোপনীয়তা রক্ষা করা যাবে সেখানে রাখা হবে। অবশ্যই থাকবেন প্রার্থীদের এজেন্টরা।ব্যালটে ভোটদানের পর সেটি সিল করা হবে।ভোট প্রক্রিয়াতে যাতে চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্মীদের কাজে না লাগানো হয় সেবিষয়ে শনিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে বিজেপিপন্থী রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন সরকারি কর্মচারী পরিষদ। সংগঠনের রাজ্য কমিটির সভাপতি দেবাশিস শীল–র অভিযোগ, এই কর্মীরা শাসক দলের সমর্থক। তাই এদেরকে যেন নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়। এ বিষয়ে কমিশন জানিয়েছে, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট মেনেই সব হবে।

News Desk

News Desk

প্রাসঙ্গিক বিষয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *