নির্বাচনের সাথে অব্যাহত কালোবাজারিও

নির্বাচনের সাথে অব্যাহত  কালোবাজারিও

গনতন্ত্রে সব থেকে বড় উৎসব হলো ভোট। একদিকে নির্বাচন কমিশন প্রত্যেক ভোটারকে ভোটদানের জন্য উৎসাহিত করছেন, অন্যদিকে নির্বাচনকে ঘিরে চলছে কালোবাজারি। তার পরিমাণ এতটাই যে নির্বাচন কমিশন এবার প্রথম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত সমস্ত জিনিসের তালিকা প্রকাশ করল।

তালিকা অনুযায়ী ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে ২২৫.৭৭ কোটি টাকা অর্থমূল্যের জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নগদ টাকাও। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ সহ আসাম, পুডুচেরি, তামিলনাড়ু এবং কেরালার নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে । ইতিমধ্যেই এই চারটি রাজ্যের বাজেয়াপ্ত মোট সম্পত্তির অর্থমূল্য গিয়ে ঠেকেছে ৩৩১.৪৭ কোটি টাকা।

সবেমাত্র করোনা আবহ থেকে আমরা ধীরে ধীরে সাধারণ জনজীবনে প্রবেশ করেছি। তবে সম্পূর্ণভাবে এই করোনা ভাইরাস থেকে কবে রেহাই পাব তা এখনো পর্যন্ত আমরা জানি না। অর্থনীতিতে এক প্রবল ধাক্কা এসে পড়েছে বিগত বছরে। অনেক মানুষ হয়েছেন কর্মহীন। বেঁচে থাকার জন্য যেটুকু সম্বল দরকার অনেকের সেই সম্বলটুকুও বর্তমানে নেই। কিন্তু রাজনীতি চলছে রাজনীতির পথে। করোনা মহামারীর কোন ভয়ই নেই। মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব ছাড়াই চলছে অবাধে বিভিন্ন মিটিং-মিছিল। তার পিছনেই নিঃশব্দে চলছে বিভিন্ন কায়দায় রাজনৈতিক প্রচার। তা হোক, নগদে কিংবা বিভিন্ন সামগ্রিক মাধ্যমে।
এই অর্থনৈতিক টানাটানির মধ্যে রাজনৈতিক মাঠে টাকা-পয়সার খেলা যে চলছে তা বোঝা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন দ্বারা বাজেয়াপ্ত জিনিসের অর্থমূল্য দেখে।

এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফা নির্বাচন বাকি । তার মধ্যেই বাজেয়াপ্ত অর্থের পরিমাণ বাংলায় ছাড়ালো ১০০ কোটি । এর জন্য দায়ী কারা? আগামী প্রজন্ম কিভাবে তাদের নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং স্বাভাবিক করে তুলবে । কি বা বার্তা থাকছে আগামী প্রজন্মের কাছে?

News Desk

News Desk

প্রাসঙ্গিক বিষয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *